মহা নিমগাছ


ঈশানে নৈঋতে দুই হাত ছড়িয়ে দিয়ে
মাটির উপর মুখ রেখে
সে এখন শুয়ে আছে শেষ রাতের খোলা প্রান্তরে

আর কেউ নেই
শুধু তার পিঠের দিকে তাকিয়ে আছে লক্ষ লক্ষ তারা

হাতের ডানায় লেগে আছে ঘাসের সবুজ, বুকে ভেজা মাটি এইটুকু ছাতা
যেন কোনো কোমলতা ছিল না কোথাও কোনোখানে

তারপর
আকাশ আর পৃথিবীর ঢাকনা খুলে বেরিয়ে আসে ভোর
এসে দেখে :

যেখানে সে পা দুখানি রেখেছে, সেখানে
কাল বিকেলের শেষ ঝড়ে
পড়ে আছে কুরে খাওয়া সনাতন মহা নিমগাছ |

ঠিকান হীন একটা বাড়ি |
আলোছায়া অংশীদারী |
দুদিকে তার দুখানা পথ ,
কোনটা রাখি কোনটা ছাড়ি |
ঠিকান বিহীন একটা বাড়ি |

মন কেমনের ধূসর দিনে ,
মানায় ভালো পর্দা দিলে |
জং ধরা দাও রং বাহারি |
ঠিকান বিহীন একটা বাড়ি |
আলোছায়া অংশীদারী |

পলেস্তারায় বয়েস ঝোলে ,
দেয়াল জানে ঝগড়া হলে |
জানলাদেরই পাল্লা ভারী |
ঠিকান বিহীন একটা বাড়ি |
আলোছায়া অংশীদারী |

তার ভেতরের গল্পগুলো ,
কমলো কিছু , জমল ধুলো |
খসলো কমা , খসলো দাড়ি |
ঠিকান বিহীন একটা বাড়ি |
আলোছায়া অংশীদারী |

না না সে গান নয়তো চেনা আনমনা হয়ত একটা সুর
তোমাকে নিয়ে যেতে পারে একলা অনেক দূর
তোমার ও যদি গাইতে তবে এই গান এ বন্ধু হবে তোমার
শেষ বিকেলে খেলা ফেলে একই সাথে দেখবে সন্ধে নামা
আর একটা তারা উঠবে জ্বলে তোমাদের দেখবে বলে আকাশের খোলা উঠোনে

শোনো এই গান হয়ত চেনা তোমারি ফেলে আসা সুর
তোমাকে নিয়ে দিতে পারে হারানো একলা দুপুর

কুল-কাকলী


poncom:

ফিঙে রাজার উচু লেজে বাধা হাজার ফড়িঙের মৃত্যুবাণ

চাতকের জল হতাশা, ডেকে ডেকে মেঘ আনে, জন্মে দেখ হাজার প্রাণ ।

chanachur:

মনরে…….
ওরে হাইলা লোকের লাঙল বাঁকা, জনম বাঁকা চাদ রে আমার, জনম বাঁকা চাদ
তাহার চাইতে অধিক বাঁকা হায় হায়
তাহার চাইতে অধিক বাঁকা, যারে দিছি প্রাণ রে, দুরন্ত পরবাসী।

আমার হাড় কালা করলাম রে
ওরে আমার দেহ কালার লাইগারে
অন্তর কালা করলাম রে দুরন্ত পরবাসী~!

মনরে……..
ওরে কূল বাঁকা গাঙ বাঁকা, বাঁকা গাঙের পানি রে, বাঁকা গাঙের পানি
সকল বাকাঁয় বাইলাম নৌকা হায় হায়
তবু বাঁকারে না জানিরে দুরন্ত পরবাসী।

আমার হাড় কালা করলাম রে
ওরে আমার দেহ কালার লাইগারে
অন্তর কালা করলাম রে দুরন্ত পরবাসী~!

মনরে……….
ওরে হাড় হইলো জরো জরো, অন্তর হইলো পুড়ারে আমার, অন্তর হইলো পুড়া
পিড়িতি ছাড়িয়া গেছে হায় হায়, পিড়িতি ছাড়িয়া গেছে
তবু নাহি গেছে প্রাণ রে দূরন্ত পরবাসী।

আমার হাড় কালা করলাম রে
ওরে আমার দেহ কালার লাইগারে
অন্তর কালা করলাম রে দুরন্ত পরবাসী~!

- হাড় কালা by রাফা

মনরে…….
ওরে হাইলা লোকের লাঙল বাঁকা, জনম বাঁকা চাদ রে আমার, জনম বাঁকা চাদ
তাহার চাইতে অধিক বাঁকা হায় হায়
তাহার চাইতে অধিক বাঁকা, যারে দিছি প্রাণ রে, দুরন্ত পরবাসী।

আমার হাড় কালা করলাম রে
ওরে আমার দেহ কালার লাইগারে
অন্তর কালা করলাম রে দুরন্ত পরবাসী।


পল্লীকবি জসিমউদ্দীন (via chanachur)
“হায় অতিথি, এখনি কি হল তোমার যাবার বেলা।
দেখো আমার হৃদয়তলে সারা রাতের আসন মেলা ॥
দেখা হল, হয় নি চেনা—
প্রশ্ন ছিল, শুধালে না—
আপন মনের আকাঙক্ষারে আপনি কেন করলে হেলা ॥”
“কবরীতে ফুল শুকালো
কাননের ফুল ফুটল বনে ।।
দিনের আলো প্রকাশিল,
মনের সাধ রহিল মনে ।।”
“নিশিদিন মোর পরানে প্রিয়তম মম
কত-না বেদনা দিয়ে বারতা পাঠালে ॥
ভরিলে চিত্ত মম নিত্য তুমি প্রেমে প্রাণে গানে হায়
থাকি আড়ালে ॥”
“শিক ধরে দাঁড়িয়ে আছে হাওয়া
হাওয়া ধরে চড়ুইপাখি
কেউ জানতেই পারল না , বুকের ডানদিকে
কারফিউ রেখে গেল কফি রঙের ফিঙে মেঘ।
থেকে যাও বিজন, থেকে যাও।
নেশা ধরে ধরে তোমার বায়বী সুড়ঙ্গে
-এগিয়ে আসছি আমি।
আর কেউ কি কাঁদছে নক্ষত্রের দিকে যাবে বলে?”